“ঢেঁকি চেনেন ঢেঁকি ? ঢেঁকি দিয়ে কী করে? ধান ভাঙ্গে ……
শোনেন – ঢেঁকির সামনে দাঁড়িয়ে হাত জোড় করে বাড়ির বড় কর্তার বউ যদি বলে, ” বাবা ঢেঁকি বাড়িতে জামাই আসছে, কর্তা গেছে বাজারে মাছ – ডাল কিনতে , তুমি কিছু চাল দাও । ঢেঁকি কি চাল দিবে ? দিবে না।
কিন্তু ঢেঁকির সামনে যখন কিছু ধান দিয়ে বড় কর্তার বউ আর ছোট কর্তার বউ এক সাথে দুজনের দুই পা দিয়ে ঢেঁকির পাছায় প্যাঁদানি দেয় তখন ঢেঁকির সামনে দিয়ে হড় হড়- সড় সড় করে চাল বের হয়।
আমাদের সরকার গুলো হল ঢেঁকির সরকার, ঢেঁকি গভর্নমেন্ট ।
তার সামনে হাত জোড় করলে আপনি চাল পাবেন না !
এটা কমরেড জসিম উদ্দিন মণ্ডলের একটা বক্তব্যের অংশ।
(যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, তাদের রাজনীতি বন্ধের দাবি আদায়ে আমাদের কে বাড়ির বড় বউ হতে হবে)
কোন বিকল্প নাই, যতজনে যত কিছুই বলুক….
ইদানিং কিছু কিছু মানুষকে বলতে শুনি, ‘শাহবাগ নাটক’। এটা সরকারের একটা চাল। মাম পানি কৈথেকা যায়? সব কয়টা নেশাখোর, নাস্তিক, পতিতা…। রাতভর শাহবাগে চলে বেলেল্লাপনা। ঐসব নাটক, কিসের ফাঁসি আর মাসি? গণজাগরণ কি এতই সস্তা?
আর আজ আমার ৬ বছরের ভাতিজা আমাকে বলে, “কাকা, কাদের মোল্লার ফাঁসি কি হয়ে গেছে? কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়না কেন? কবে হবে? জামায়াতের ও কি ফাঁসি হবে? জামায়াতের ফাঁসি হয়না কেন?
আমি বুঝি না গণজাগরণের সংজ্ঞা কি? যখন ৬ বছরের শিশুও ফাঁসির দাবীতে সোচ্চার তখনো কিভাবে গনজাগরণ হয়না, তা আমার বোধগম্য নয়।
ও বুঝছি, ভাড়া করা শুওরের পাল নিয়া সমাবেশ, মিছিল আর ডরতাল না করলে গনজাগরণ হয়না। মানুষের লাশের উপর দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ তৈরী না করলেও গনজাগরণ হয়না।
যেসকল মাননীয় সারমেয় আমাদের গনজাগরণের নোংরা সংজ্ঞা শিখাতে আসে, তাদের বলি, “উস্তাদি আলাপ আংগর লগে করলে মাইরা হুতাইয়ালবাম।”
