হরতালকে তুডি মেরে উডিয়ে দেন।
কালকে বাহিরে বিচরণ বাড়িয়ে দেন।
গৃহিণীদের বলছি) সকালে শপিং করতে বেরবেন;
বিকেলে আবার চেঞ্জ করে আনবেন।।
বাবাদের বলছি) একবার বাজারে না গিয়ে; বারবার যাবেন;
১ম বার চাল; পরেরবার মাছ; তারপর ডাল; এরপর সবজি; এভাবে চলবে…
পারলে সকালে বাকিতে জিনিস কিনবেন; বিকেলে বের হয়ে টাকা দেবেন।।
ছাত্র-ছাত্রীদের বলছি) স্কুল অবশ্যই;
বই-খাতা-কলম কালকেই কিন্তু কিনবে।
ক্লাসের ফাঁকে পারলে বন্ধুদের সাথে পার্কে ঢু মেরে আসবে ।।
ঘরমুখোদের বলছি)
আত্মীয়স্বজনের বাসায় সকালে একবার যাবেন; বিকেলে আরেকবার।
পারলে ২নং-১০নং গাড়িতে শহরটা কয়েকবার চক্কর দেবেন।
আরও কয়েকভাবে বিচরন বাড়াবেন- ১০পেজ ফটোকপি ৪/৫ টা দোকানে করবেন।
১০/১২ টা দোকান দেখে জিনিস কিনবেন ।।
মোটকথা আমরা গ্রিনিচ বুকে তুলতে চায়- ‘বিশ্বে একমাত্র জামাতের হরতাল-অবরোধে
মানুষজন বাহিরে থাকে বেশী; হরতাল আহবানকারীরাই শুধু ঘরে থাকে’ ।।
সবচে ভাল হয় প্রজন্ম চত্বরে চলে আসলে;
আমরা সবাই হরতাল ব্যর্থ করতে ‘প্রজন্ম চত্বর’ এ থাকবো ।।
