http://jamaat-e-islami.org/newsdetails.php?nid=OTIx
জামায়াতের ডাকা হরতালের পিকেটিং এর সময় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মার্কিন প্রভুদের কাছে রীতিমত কানে ধরে মাপ চাইলো বাংলাদেশে জামাতে ইসলামি। আতংক তৈরী করে হরতাল সফল করার জন্য সারা দেশে কম করে হলেও ৫০টিরও বেশি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামি নামের যুদ্ধাপরাধী ও ধর্মব্যাবসায়ী সংগঠনটি। সেইসব গাড়ি কিংবা বাসের মালিক ও বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের কাছে দু:খ প্রকাশ করতে দেখা না গেলেও মার্কিন দূতাবাসের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পরপরই ওয়েবসাইটে বিবৃতি দিয়ে যে ভাবে ঘটনাটিকে “অভূতপূর্ব”, “দু:খ জনক” বলল, যে হারে দায় দ্বায়িত্ব গ্রহণ, নিন্দা জানানো, দু:খ প্রকাশ করা, ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি বলে ফেনা তুলে ফেলল তাতে আরেকবার বোঝা গেল যে কোন মূল্যে মার্কিন প্রভুদের তুষ্ট রাখাটা জামায়াতের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ!
মার্কিন প্রভুদের তুষ্ট রাখাটা জামায়াতের কাছে এরকম গুরুত্বপূর্ণ বলেই ক্ষমতায় থাকা এবং ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় জামাতে ইসলামি কখনও দেশের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভূমিকার সামান্য সমালোচনাও জামায়াতকে করতে দেখা যায় না, মার্কিন বহুজাতিক শেভরণ কিংবা কনোকোফিলিপস এর হাতে দেশের গ্যাস ব্লক তুলে দেয়া কিংবা মার্কিন স্বার্থে ফুলবাড়িতে এশিয়া এনার্জির উন্মুক্ত খনির ব্যাপারে উৎসাহের কমতি দেখা যায় না, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সাথে সোফা-হানা-টিফা ইত্যাদি দাসত্ব মূলক চু্ক্তির ব্যাপারে আপত্তি করতে দেখা যায় না।
জামায়াত-এর সেই বিবৃতি: “৪ঠা ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল ৮:৪৫ মিনিটে এক দল লোক ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একটি গাড়ির উপর হামলা চালালে গাড়ির ড্রাইভার সামান্য আহত হন এবং গাড়িটিরও ক্ষয়ক্ষতি হয়। অভূতপূর্ব এই দুঃখজনক ঘটনার ব্যাপারে প্রাথমিক তদন্ত শেষে এর দায় দায়িত্ব আমরা গ্রহন করছি এবং নিন্দা জানাচ্ছি। এই ঘটনার জন্য দূতাবাস এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাক্তিদের নিকট আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং এর ক্ষতিপূরণ দিতে আমরা প্রস্তুত।”
