মোমেন্টাম ফিরে পাচ্ছে আবার গণজাগরণ। সাধারণ মানুষ আবার বুঝতে পারছে বিএনপি জামাত শিবিরের কালো হাত বাংলার মাটিকে কলুষিত করতেই হুংকার ছাড়ছে। মানুষ বুঝতে পারছে যেই বিএনপি এক সময়ে ঘোষণা দিয়ে শাহবাগের গণজাগরণকে স্বাগত জানিয়েছিলো, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসার পর কেন গোলাপী মুখ ফিরিয়ে নিলো। গণহত্যার জামাতী ডেফিনিশান যে ধোপে টেকেনি তাও দেখতে পেয়েছে বাংলার মানুষ। মানুষ দেখতে পেয়েছে কিভাবে হিন্দুদের বসতবাড়ি ও মন্দিরে আগুন দেয়া হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় হত্যা ও রগকাটা চালিয়ে যাচ্ছে শিবিরের জঙ্গি সংগঠন। সাঈদীর চন্দ্রযাত্রা, ভিটামিনে শিশু মৃত্যুসহ যত রকম মিথ্যাচার সম্ভব সকল মিথ্যাচার শেষে বেজি মুন্সিগঞ্জ আর মানিকগঞ্জে গিয়ে আমাদের জাতীয় সংসদ এবং আপামর জনতা যারা শাহবাগ গিয়েছিল সবাইকে নাস্তিক আখ্যা দিয়েছেন। ভাঙ্গা পোড়া মন্দির নিয়ে রাজনীতি করেছেন এই বলে যে ক্ষমতায় গেলে নাকি তিনি সব মন্দির আবার বানিয়ে দেবেন। আমরা যারা যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ বিচার দাবী করেছি রাজপথে থেকে, তাদেরকে উনি ট্রাইবুনালে নিয়ে বিচার করার হুমকি দিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও আছেন এই হুমকির তালিকায়।
জামাত শিবিরের নৈরাজ্য আমরা প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছি। কিন্তু এদের দোসর বিএনপির নেত্রী যেহেতু একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী এবং বীরাঙ্গনা, আমরা বিএনপির নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কোন কথা বলিনি। তারা রাস্তায় হাটে মাঠে ঘাটে জ্বালাও পোড়াও চালিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল ২০ টির বেশি যানবাহনে আগুন দিয়েছেন তারা। এমন অবস্থায় যেহেতু এই পরিস্থিতির উদ্ভব মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের মুক্ত করার জন্য এবং জামাতের হাতে হাত, বুকে বুক মিলিয়ে ক্ষমতায় যাবার জন্য, আমরা নতুন প্রজন্ম স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, নৈরাজ্য বন্ধ করুন। অহিংস আন্দোলন করছি বলে ভাববেননা, রাজনীতি শুধু আপনারাই জানেন। আমরা খেলনা হাতে খেলতে নামিনি বা চকলেটের বায়না করতে আসিনি। আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়া করাবেননা। বানের জ্বলের মতো ভেসে যাবেন, পায়ের তালায় মাটি তো দূরে থাক, গায়েও কিছু থাকবেনা। এবারের সংগ্রাম, ৪২ বছরের জঞ্জাল জামাত শিবির নিষিদ্ধ করার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম সকল যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবার সংগ্রাম। আমাদের বিজয় অনিবার্য।

জয় চেতনা, জয় প্রজন্ম, জয় জনতা, জয় বাংলা।