কেউ রাস্তার ধারে হাগলে আমি তারে এবং আশপাসের মানুষজনরে আঙ্গুল দিয়া দেখাই… ওইদেখ ওইলোকটা রাস্তার ধারে হাগছে! হেয় হাগলে কুন দুষ নাই। আমি দেখাইলে দুষ! যাইহোক বরাবরের মতো আমি একটা অনুগল্প বলবো, তারপর মুল প্রসঙ্গ নিয়ে আপনাগো লগে আলুচুনা করবো। আগেই বলে রাখি আমার গল্পগুলান একটু খাচ্ড়া ধরনের, যাদের এ্যালাজি আছে তারা আমারে আনফ্রেন্ড কইরাও চইলা যাইতে পারেন। যারা আমার সাথে থাকবেন তাদের জন্য এই গল্পটা

একটা ভীড়ের মধ্যে বেশ কিছু লোক আছে। আবাল বৃদ্ধা বনিতা সবাই। এর মধ্যে কিঞ্চিত চিপায়া একলোক দুগন্ধযৃক্ত বাযুত্যাগ করলো শব্দও কিছুটা পাওয়া গেল… পাশেরজন শুনে ফেলছে এবং তিব্র উৎকট গন্ধে সেও কিছুটা বিব্রত! সহ্য করতে না পাইরা, বায়ুত্যাগীরে বললো, ভাই ভাল হয় নাই। কিছুক্ষনপর লোকজন একটু ধাতস্ত হতেই আবার একই কান্ড, কিন্তু এইবার একটু জোরে শব্ধ সমেত, আবারও সবাই বিব্রত। পাশের লোকটা আবার বললো, ভাই কাজটা ভাল হয় নাই। আবার কিছু সময়পর আবারও একই কান্ড এবং পচন্ড শব্দ কইরা। পাশের লোক চরম বিরুক্তি নিয়া বললেন, ভাই কি শুরু করছেন, ধুর ভাল হইতাছে না। এতক্ষর পর বায়ু ত্যাগী বেশ আপসেট হইয়াই বললেন, এর চাইতে ভাল ভাবে আমি পারুম না।

আমাগো সরকার বাহাদুর এখন এই কাজ করতেছেন আমাগো লগে। কাদের মোল্লার রায় দিলে, সমস্বরে আমরা প্রতিবাদ করলাম, দ্বিতীয়বার তিনি হেফজতের সাথেই আতাত করলেন আদতে যা জামাতের সাথেই, আমাদেরকে এইটা বুঝায়া দেয়া। দেখ সরকার কিন্তু তোমাদেরকে একটা সর্তক করতাছে। এখন আমি ৩০ এপ্রিলের রায়ের অপেক্ষায় দেখি সরকার তার শেষ বায়ুটা কিভাবে ছাড়ে। আমি আশংকা করতাছি, সরকার গোলাম আযমের রায়টা আদালতের মাধ্যমে দেওয়াবে বির্তকীত। আমাদেরকেও প্রস্তুত থাকতে হবে, সব ধরনের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করার জন।