সমাবেশ থেকে বেনপিকে জামাতের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমালাপ যৌনচার বাদ দিয়া প্রজন্ম চত্বরের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশের জন্য আহবান করা হইছে! মানলাম, তাহারা আমাদের এই দাবির সাথে ঐক্যমত্ত পোষন করিয়াছে এই মর্মে বিবৃতি দিল! কিন্তু ৭৫ এর পর হইতে জিয়ামামার কুকির্তী ও যুদ্ধাপোরাধীদের পূর্নবাসন, ছাগুদের সংগঠন করিতে দেওয়ার. তাহাদিগকে রাস্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, রাষ্টের সর্বোচ্চ পদে বিচরন করে অবাদে কাঠালপাতা এবং ঘাস খাইবার অধিকার ও যত্রতত্র মুত্র, লেদা বিসর্জন দিয়ে বাংলার মাটিকে নাপাক করিবার এবং বিভিন্ন সময় নিজেদের অস্তিত্ত বিসর্জন দিয়া, নিজেদের পুটু মারিবার সুযোগ করিয়া দেওয়া এবং ঘরজামাইদের শাখা সংগঠন হিসেবে আত্নপ্রকাশ এবং বেনপি’র কথিত চেয়ারপারসন নিজেই ওই সংগঠনের প্রধান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্টা করা এবং আশে পাশে কিছু সংকর প্রজাতীর মোটতাজা ছাগল পুষিয়াছেন তাহার কি হইবে? তাহার কি কোন অনুসোচনা তাহারা করিবেন? প্রায়শ্চিত্ত তাহারা করিবেন? এই মর্মে আমি তাহাদেরকে কিছু পরামর্শ দিতে চাই…
১. বেনপি ও শাখা সংগঠনের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যাক্তিবাদে (যদি থেকে থাকে! নাই মনে হয়, থাকলে রাজনৈতিকভাবে তারা এত দেওলিয়া হইতো না) যারা আছে তাহারা সবাই নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে নিজের জন্ম সার্টিফিকেট নিয়া আসিবেন, যাহাতে তাহাদের মা এবং বাবার স্বহস্তে স্বাক্ষর থাকিবে…. (আমি শিওর, এই পার্যায়ে তাহারা দ্ধিধা গ্রস্ত হইবেন, কাহাকে রাখিয়া কাহার কাছে যাইবেন)
২. প্রত্যেককেই প্রমান দিতে হইবে, ঘরজামাই কর্তৃক বিশেষ করিয়া সাঈদী কর্তৃক মেশিন চালানো হয় নাই। হইয়া থাকিলে অবশ্যই তাহা জন সম্মুখে তাহা স্বীকার করে, এই বেদাতী কর্ম করিবার জন্য তাহার ক্ষমা চাইতে হবে।
৩. কেন্দ্র ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রমান দিতে হবে, তাহারা এখনও খাসি হইয়া যান নাই। এক্সরে রিপোর্ট দেখাইলেই চলবে।
৪. “জয় বাংলা” স্লোগানটি তাহারা তাদের গঠনতন্ত্র ও বিভিন্ন পোষ্টার ব্যনারে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ এর পাশেই লিখিবে, এবং যেকোন দলীয় ও রাস্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অন্তত ৯ বার উচ্চারন করিবে, এই মর্মে স্বীকার করে নিবে।
৫. মেজর জিয়া মামা স্বাধীনতার ঘোষক না স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠক এবং আমরাও তাহাকে স্বাধীনতা ঘোষনার পাঠক বেলে মানিয়া লইবো।
আরো কিছু সযোজন হইতে পারে… কমেন্টে যোগ করুন
