3518_10200207946395353_1131432067_nআমি সব সময়ই বলে আসছি এবং আমার ফেসবুক প্রোফাইলে স্পট করেই বলেছি, আমি মুসলমান, আস্তিক, সাম্যবাদী এবং অসম্প্রদায়িক। আমি বিশ্বাস করি, “আল্লাহ এক অদ্বিতীয়, তার কোন শরীক নাই, হয়রত মুহাম্মদ (স:) তার প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসুল” এ বিশ্বাসে কোন খাদ নাই। কিন্তু আমি একজন একজন হিন্দু মায়ের বুকের দুধ খেয়ে বড় হয়েছি, আমার মা তখন অসুস্থ ছিলেন। আসে পাসে তখন দুগ্ধদান করার মতো মা পাওয়া যায়নি, আমার মাসি নিজের ছেলে অমরের দুধের ভাগ দিয়ে, আমার শরীরে পুষ্টি দিয়েছেন। চাইলে আমার মাসি আমাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী হিসেবে তৈবি করে নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেন নাই। অতন্ত সচেতনতার সাথে, তিনি আমার প্রতিপালন করেছেন। আমার এখনও মনে আছে সন্ধ্যা পুজার সময় মাসি আমাকে আলাদা করে বসিয়ে রেখে, পুজো দিতেন। আমি শিশুসুলভভাবে মাঝে মাঝে পুজা দিতে চাইতাম উনার দেখা দেখি, কিন্তু মাসী বারন করতেন। আমার মাকে, আমার বোনকে তিনি এ বিষয়ে ওয়াকিবহল করেছিলেন। তারা আমাকে নামাজ রোজা শুরু শিখিয়েছেন। আমি একথাগুলো কেন বলছি? কারন শিবির-জামাত সাম্প্রদায়িক অপশক্তি যেভাবে ধর্মের নামে ভন্ডামী করছে তা খুবই ইসলাম বিরোধী, ইসমাল অবমাননা। আল্লাহতালা নামাজের মধ্যেই স্পস্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন সাম্যবাদের, নামাজের কাতারে ধনী গরীবের কোন পার্থক্য নাই। সাম্যবাদী চিন্তাতো এইটাই! আমি চাই সামাজিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে ধনীগরীবের সমানসুযোগ। পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হযরত মুহাম্মদ (স:) এর অনুমোতি ও পরামর্শে আল্লাহর হুকুমে মদিনার সনদের ৪৭টি ধারা প্রতিটিতে রয়েছে সাম্যবাদ আর অসাম্প্রদায়িকতা (http://bn.wikipedia.org/wiki/মদিনার_সনদ) কিন্তু জামাত-শিবির এর প্রতিটা শব্দকে, বাক্যকে অমান্য করছে প্রতিনিয়ত! আফসোস এরা কোমলমতি শিশুদের কিশোরকন্ঠ পাঠ করিয়ে করিয়ে শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত করে, কিন্তু প্রকৃত ইসলামের কিছুই শিখায় নাই। এরা তৈরি হচ্ছে জঙ্গী অমানুষ জানোয়ার হিসেবে। এদের আচরন হয় হিংস্র হায়নার মতো। এখন এইগুলা বাহিরে হইলেই মানুষের জুতার বাড়ি খাইয়া মইরা জাইবো। শুয়োরগুলো খোয়ারে বইসা আছে। ডরে বাহির হইতাছে না, জিগাই কিরে? শহীদ হইবি না? গাজী হইয়া থাকলে চলবো… ছাগুগুলা বুঝতে পারছে ওদের আর এই বাংলায় ঠাই নাই, ওদের এক আবালের যৌন ফোনালাপ, ফাস হইছে… একজন লইট্টা ফিস রান্ধে, আরেকজন মেশিন নিয়া ব্যস্ত…. এখন আবার আমাদের বোনদের নিয়া অশ্লীলসব বাজে বানোয়াট কথা লিখছে…. যা মা বোনদের জন্য মারাত্নক অপমানজনক, এই প্রসঙ্গে বলতে চাই, মক্কা বিজয়ের পর হযরত (স:) নিজে ঘোষনা দিয়েছেন, ”তাদের আস্বস্ত করো, মক্কার সকল নারী ও শিশু নিরাপদ, তাদের কোন ক্ষতি হবে না”। আবার তিনি এও বলেছেন যার মুখ ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ।, সেই নাকি মুমিন। শিবির যে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমাদের বোনদের নিয়ে, পর্ন ছবি দিচ্ছে তাতে কি মনে হয় আমাদের নারীরা তাদের কাছে নিরাপদ, তারা মুসলমান? এদের এখনই ঝাটা পিটা করেন, পাকিস্থানে পাঠাইয়া দেয়া হবে, সবচাইতে মানবিক আচরন, এদের বেছে বেছে নাগরিকত্ব বাতিল করা উচিৎ, শুধু তাদের না, তাদের অন্তত আগে পরে দুইটা করে প্রজন্মকে সামাজিকভাব বয়কট করা উচিৎ। আরেকটা কথা আমি দুই একদিন আগেও আমার ষ্ট্যাটাসে লিখেছি, এখন আবার লিখছি প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা আমার বাবা, প্রতিটি সম্ব্রমহারা নারী আমার মা, আর আজকের এই আন্দোলনে অংশ নেয়া প্রতিটি নারী আমার মা অথবা বোন… প্রতিটি পুরষ আমার ভাই অথবা বাবা সমতূল্য