তিন দফা স্থান পরিবর্তন করেও,
প্রিয়সিনীর হাত ধরিবার যে শৈল্পিক ইচ্ছা,
তার শলীল সমাধি।
জানাবার প্রয়োজনও মনে করে না,
বৈশাখের খরদাহ রোদ্রে দাড়িয়ে যখন অপেক্ষারত!
তখন জানতে পার, অপেক্ষাতো দুরে থাক্
তুমি খুবই গুরুত্বহীন।
আবার সবকিছু পেছনে ফেলে,
তখন প্রচন্ড আবেগে উতালা
তুমি ছুটে যাও অনত্র!
কিংবা হঠাৎ বৈশাখী ঝড়ে তুমি কাক ভেজা!
তখন গুরত্বহীন তুমি! কারন, কার অপেক্ষায়?
সে ব্যস্ত! ভীষন ব্যস্ত!
হ্যা ঠিকই, নিত্য যেমন বলে, ”গুরুত্হীন থাক, জীবনি শক্তি বাড়বে।
এরাই পারে প্রতিনিয়ত কথা দিতে এবং তা খুব করে ভেঙে দিতে।
এবং এরাই পারে তোমাকে ছাড়াই তার নিত্য দিনাতিপাত।”
কারন তুমি, ”অসহ্য অতিরিক্ত, ধরবে না কোথাও
ভাগ্যটা তোমার ঘোলা জলের ডোবা,
বড়ো রকম ইতিহাস ধরে না তার মধ্যে,
নিরীহ দিনগুলো ব্যাঙের মতো একঘেয়ে ডাকে —
না সেখানে হাঙর-কুমিরের নিমন্ত্রণ, না রাজহাঁসের।“
তবে? ঠিকইতো আছে তাই না?
নিজেরেই করো করুনা….
তুমি ছাড়া তোমারে কেউ বুঝে না।
তুমি যেতে যেতে অন্যকেউ গুরুত্ব হয়ে উঠে!
তোমার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে।
