বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখিয়া আমার একখানা কৌতুকের কথা মনে পড়িল, শালার কোথ্থেকে যে এইগুলো আমার মাথায় আসে!

এক স্ত্রী তার প্রবাসী স্বামীর কাছে একটা পত্র লিখেছেন। কিন্তু পত্রটিতে উনি উনার ইচ্ছে মতো
যতিচিহ্ন বসিয়েছেন।

ওগো,
সারাটি জীবন বিদেশেই কাটাইলে এই ছিল, তোমার কপালে আমার পা। আরও ফুলিয়া গিয়াছে উঠানটা, জলে ডুবিয়া গিয়াছে ছোট খোকা। স্কুলে যাইতে চায় না ছাগলটা। সারাদিন ঘাস খাইয়া ঝিমাইতেছে তোমার বাবা। পেট খারাপ করিয়া অসুস্থ হইয়া পড়িয়াছে আমগাছটা। আমে আমে ভরিয়া গিয়াছে বাড়ির ছাদ। স্থানে স্থানে ফুঁটা হইয়া গিয়াছে গাভীর পেট। দেখিয়া মনে হয় বাচ্চা দিবে কাসেমের বাপ। প্রতিদিন এক সের করিয়া দুধ দেয় বড় বউ। নিয়মিত রান্নাবান্না করে বড় খোকা। প্রতিদিন বাজার করিয়া আনে কাসেমের মা। প্রসব বেদনায় ছটফট করিতেছে কাসেমের বাপ। বারবার ফিট হইয়া যাইতেছে ডাক্তার। বাবু আসিয়া দেখিয়া গিয়াছেন। এমতাবস্থায় তুমি বাড়ি আসিবে না। আসিলে দুঃখিত হইব।

ইতি ……… 😛

বর্তমানে এই হচ্ছে আমাদের দেশে, সবাই বলছে কিন্তু এমন ভাবে বলছে, আর এমনভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে সব বিষয় যার অর্থ শুধুমাত্র স্থান-কাল-পাত্র এবং যত্মিচিহ্নের ব্যবহারের ফলে পুরা অর্থই উল্টায়া যাইতাছে….
সত্য কথন…. আবার কইয়ুন না যে, ছেমড়াডা আমি বেশি বুজ্জাহালছি!