সহমত, দুইখান কথা আছে। এই দেশে আমার মতে দুই ধরনের নাস্তিক আছে, এক. আসলেই জ্ঞান অর্জন করেছে, তবে স্মপূর্ণ জ্ঞান আয়ত্তে আনতে পারে নাই… কোন এক মনীষী বলেছেন, যে জ্ঞান অর্জন করে সে আস্তিকই থাকে, আর যে অর্ধেক জানলো বা শুনলো সে মূর্খ এবং নাস্তিক হয়, ফলাফল এপার ওপার দুই পার ই হারায়। তবে এরা পাবলিকরে ঘাটায় না, চুপচাপ থাকে… স্বঘোষিত হয়! দুই. এই ক্যাটগরির নাস্তিক ভংয়কর, কারন এরা ধর্ম, বিজ্ঞান ধারে কাছে দিয়াও হাটে না, এদেরকে এদের ঘরের মানুষই ঠিক মতো চোদে না, ব্যক্তিজীবনে ব্যর্থ, হতাশাগ্রস্থ এবং মানসিক বিকারগ্রস্থ! এরা ভাব চোদায় (মুখ খারাপ না করে পারলাম না), এর খুব জ্ঞানী.. ঠিক মতো জিগাইলে গুইনা ১০ টা বইয়ের নামই ঠিকমতো বলতে পারবে না। এরা মার্কসবাদের দোহাই দেয়, মার্কসবাদ কপচায়, কিন্তু মার্কসবাদ চর্চা করে না। কার্লমার্কস সংয় নিজে বলছে, ধর্মের সাথে দ্বন্ধ নাই, নাস্তিকেরা তর্ক শুরুই করে ঈশ্বরের অস্তিত্ত অস্বীকার করে, আর সমাজ চিন্তাবিদ ত্বাত্তিকরা শুরু করে সামাজিক বাস্তবতাকে স্বীকার করে। অতএব নাস্তিকদের চোদার টাইম নাই! আস্তিক নাস্তিক বুঝি না। ফাসির দাবি ছাড়ি নাই।