একজন মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করবে নাকি করবে না, এটা সেই ব্যাক্তির একেবারেই নিজস্ব ব্যাপার। এই ব্যাপারে কথা বলা কিংবা কাউকে এইসব ব্যাপারে জ্ঞান দেওয়াটাও এক ধরনের অসভ্যতা, অবশ্য এই কাজটি মাহমুদুর রহমান নামের ইতর ব্যাক্তিটি বার বার করে আসছে বেশ দায়িত্ব নিয়েই। এই নোংরামি চলছে দেখে আজকে কিছু কথা না বললেই নয়।
আজকে মাহমুদুর রহমানের এই আমারদেশ নামের টয়লেট পেপারে লুঙ্গি মজাহারের একটা লেখা দেখলাম। এই লুঙ্গি মজাহার একসময় মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ নিয়ে একটি আপত্তিকর লেখা লিখেছিলো (এটা খুব সম্ভবত কবিতা), লুঙ্গি মজাহার হয়ত তখনো জানতো না যে তার জীবন এভাবে ৩৬০ ডীগ্রি ঘুরে যাবে কোন একদিন।
এই মজাহার তার এই লেখাতে আবার লিখেছে এমন- “নাস্তিকতাও একটা আদর্শ হতে পারে। অসুবিধা নেই। কিন্তু আপনি যখন নবী-রাসুলদের বিরুদ্ধে এমনসব কুৎসিত ও কদর্য ভাষায় লেখেন, লেখালিখি করেন, তখন কী হবে?”
ছবিতে আমি মজাহারের যে কবিতাটি দিয়েছি এটা অনেকেই কিন্তু ধর্মের প্রতি একটা নোংরা আক্রমণ হিসেবেই বিবেচনা করতে পারেন এবং সেই কাজটিই কিন্তু মজাহার করেছে। কবিতার শুরুতেই নবী ইব্রাহীমকে প্রকারন্তরে শালা বলেছে মজাহার। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই যে নাস্তিক নাস্তিক বলে চেঁচিয়ে মরা মাহমুদুর রহমান, সেও কিন্তু ঠিক ঠাক একজন নাস্তিকের লেখাই তার টয়লেট পেপারে ছেপেছে এবং নিয়মিত ছাপাচ্ছে। অথচ ব্লগে যারা নাস্তিক রয়েছেন কিংবা ধর্মে অবিশ্বাসী রয়েছেন তাদের প্রতি এত ক্ষোভ কেন এই চামারটার? আর মজাহার যে ধর্মীয় সম্প্রীতি কিংবা ধর্মীয় শ্রদ্ধার কথা বলছে, সেটা কি তার অনেক আগে ধর্মকে আক্রমণ করে উল্লেখিত লেখাতে প্রমাণ হয়?
বিবেচনা আপনার। আমার দেশের এই ভন্ডামী আর কত সহ্য করবে সরকার?
মাহমুদুর রহমানকে কোথায় পাওয়া যায় বলতে পারেন! উষ্টা খাইয়া আমার জুতাটার সুভতলা ছিড়া গেছে, শুনছিলাম ও নাকি চামাড়….
